প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ২২, ২০২৬, ৪:৪৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
আগামীকাল থেকে সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু,ভোটের আমেজ কুমিল্লা-৯ লাকসাম মনোহরগঞ্জ আসনে।
![]()

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে প্রচারণা শুুরু হবে আগামীকাল থেকে। কুমিল্লা–৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনে ও শুরু হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা । এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে সব প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে ভোট প্রার্থনা করবেন।এবং দিবেন নির্বাচনী এস্তেহার।
তবে নির্বাচনী প্রচারণায় আছে কিছু বিধিনিষেধ
২০২৬ সালের বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন-এর নির্বাচনী প্রচারণার জন্য ইসি (Election Commission) বা নির্বাচন কমিশন থেকে নতুন করে কিছু বিধি নিষেধ চালু হয়েছে। এগুলো মূলত এরকম
১. পোস্টার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
- এবার ভোটের প্রচারে কোন প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।
২. বিলবোর্ডের সীমা
- প্রতিটি প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড দিতে পারবে।
- প্রতিটি বিলবোর্ডের সাইজ সীমাবদ্ধ (১৬ ফুট × ৯ ফুট)।
৩. পরিবেশগত নিয়ন্ত্রণ
- ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল কোনো পলিথিন, পিভিসি বা পরিবেশহানি পুর্ন উপকরণ থেকে তৈরি করা যাবে না।
৪. ড্রোন বা প্রযুক্তির অপব্যবহার
- প্রচারণায় ড্রোন, কোয়াডকপ্টার বা অনুরূপ ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৫. অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়া বিধি
- সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণায় প্রার্থীর একাউন্ট/আইডি তথ্য আগে রিটার্নিং অফিসারে জমা দিতে হবে।
- মিথ্যা, অপমানজনক বা বিভেদকাজী (বিভেদের ভাষা) পোস্ট/শেয়ার করা যাবে না।
- বিদেশ থেকে অর্থপুষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা নিষেধ।
৬. নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে প্রচারণা নিষিদ্ধ
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারী অফিস, ধর্মীয় স্থান বা বিদেশে কোনো ধরনের প্রচারণা বা র্যালি করার অনুমতি নেই।
৭. প্রচারণার সময়সীমা
- নির্দিষ্ট প্রচার শুরুর তারিখের আগে (যেমন: প্রতীকের বরাদ্দ আগেও) কোন প্রচারণা পরিচালনা করা যাবে না।
- ভোটের ২ দিন আগে (সাইলেন্স পিরিয়ড) প্রচারণা বন্ধ থাকতে হবে।
উল্লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা ও সাজা
- নিষেধাবলিপি ভঙ্গ করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
- রাজনৈতিক দলকেও একই পরিমাণ জরিমানা করা সম্ভব।
- গুরুতর ক্ষেত্রে প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলও হতে পারে।
এ ছাড়াও জনগনের কাছে ভোট চাইতে গিয়ে প্রার্থীদের অনুসারীদর মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।এ বছরের নির্বাচনে বাড়তে পারে সংঘাত, কারণ অতীতে জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া পুলিশের অস্ত্র এখনো পুরোপুরি উদ্ধার হয়নি এবং সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ বাড়াচ্ছে বাড়তি চিন্তা ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মাঠে নজরদারি জোরদার করতে হবে এবং বাড়াতে হবে গোয়েন্দা নজরদারি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠ প্রশাসনের পেশাদারিত্ব বজায় থাকলে নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।
নির্বাচন উৎসব–নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ:
- ভোট সবসময়ই আনন্দের, তবে কখনো কখনো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সংঘাতের ঘটনা ঘটতে পারে।
- অতীতে লুট হওয়া পুলিশি অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি।
- সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব:
- মাঠে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করতে হবে।
- নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এবারের নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, যাতে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে নির্বাচিত করতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মওদুদ আব্দুল্লাহ (শুভ্র) | মোবাইলঃ +8801713175667, +8801713261822 | ইমেইলঃ mawdudabdullah@gmail.com | আলোছায়া (২য় ভবনের, ৪র্থ তলা), হোল্ডিং - ৭৩, পুরাতন চৌধুরীপাড়া, ইসলামপুর সড়ক (পশ্চিমের গলি), ওয়ার্ড নং - ০৪ (কু সি ক), থানাঃ কোতোয়ালী, জেলাঃ কুমিল্লা - ৩৫০০, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 Doinik Bangla News. All rights reserved.