‘নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলেও বিশ্ব আমাদের ছেড়ে যায়নি’

কূটনৈতিক অঙ্গনে সরকারের চার বছরের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রথমআলোর সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মো. তৌহিদ হোসেন। গত চার বছরে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সরকার এগিয়েছে। এসব ঘটনাপ্রবাহকে কীভাবে দেখেন? তৌহিদ হোসেন: কূটনীতিকেরা হলেন বিপণন কর্মকর্তা। আপনি সেটাই বিক্রি করতে পারেন, যা আপনি তৈরি করেন এবং যার চাহিদা রয়েছে। তাহলে বিপণন কর্মকর্তা

ভারসাম্যের টানাপোড়েন

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচনের পর সরকারের যাত্রার শুরুতে পাশে ছিল শুধু ভারত। ফলে সরকারের পক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার স্বীকৃতি আদায় ছিল সে বছরের প্রথম মাসগুলোতে কূটনীতিকদের প্রধান কাজ। মেয়াদের শেষ বছরে এসে দেখা যাচ্ছে, বৃহৎ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টাই কূটনৈতিক অঙ্গনে সরকারের

ছাত্রলীগের নববর্ষ: দামি পিস্তল ও সস্তা জীবন

কোনো কোনো দেশে আইন আছে, সব তরুণকেই বাধ্যতামূলকভাবে কিছুদিন সামরিক সার্ভিসে যোগ দিতে হবে। বাংলাদেশে তেমন কোনো নিয়ম নেই। তবে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর বাধ্যতামূলকভাবে ছাত্রলীগ করার ‘নিয়ম’ আছে। নবাগত শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি যদি হলে সিট পেতে চান, সম্মান বাঁচিয়ে চলতে চান, তাহলে ছাত্রলীগের মিছিলে মাঝেমধ্যে যেতেই হবে। এইভাবে রাজশাহী

নতুন মধ্যবিত্তের রাজনৈতিক ভূমিকার অবসান?

যেকোনো সমাজে শ্রেণি হিসেবে মধ্যবিত্তকে বিবেচনা করা হয় একাদিক্রমে বিত্তের হিসাবে এবং সমাজে ওই শ্রেণির ভূমিকা দিয়ে। কিন্তু এটা অনস্বীকার্য যে কেবল বিত্তই শ্রেণিবিচারের মাপকাঠি হতে পারে না। বলা হয়ে থাকে, মধ্যবিত্ত হচ্ছে তারাই, যারা কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, যা তাদের অন্য শ্রেণিগুলো থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করে। বাংলাদেশে

গ্রামের চিকিৎসা: দায়িত্ব আমাদের সবার

গত ২১ ডিসেম্বর প্রথম আলোর ‘গ্রামে চিকিৎসার দায়িত্ব কারা নেবেন’ শিরোনামে স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত একটি কলাম প্রকাশিত হয়েছে। পেশাগতভাবে ভারতের দুটি রাজ্যের স্বাস্থ্যনীতি-বিষয়ক গবেষণায় সম্পৃক্ত থাকায় কলামটি আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসাব্যবস্থা শহরের মতো উন্নত নয়। এই সমস্যা ভারতেও আছে এবং বিশ্বের অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশই এই সংকটে আক্রান্ত। মানবসভ্যতার ১৫ হাজার বছরের

রাজনৈতিক চমক ও বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সরকার নতুন নির্বাচনের মাত্র এক বছর আগে মন্ত্রিসভায় সামান্য রদবদল ঘটিয়ে গণমাধ্যমের আলোচনাকে ক্ষমতাসীন জোটের রাজনীতির দিকে ঘুরিয়ে দিতে অসামান্য সাফল্য দেখিয়েছে। অথচ যে বিষয়টি আলোচনায় তেমন একটা প্রাধান্য পায়নি, সেটি হচ্ছে দেশের বিচারব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ-অধস্তন আদালতের বিচারকদের ওপর জারি হওয়া সরকারি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপে সুপ্রিম কোর্টের