ঋণ পাচ্ছেন খেলাপিরা, পরিচালক পদেও বহাল

ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শোধ করেননি। তাই আইন অনুযায়ী তাঁরা খেলাপি হয়ে গেছেন। ফলে নতুন করে ঋণ নেওয়ার এবং ব্যাংকের পরিচালক পদে থাকার যোগ্যতাও হারিয়েছেন। এরপরও তাঁরা পরিচালক পদে থেকে ব্যাংক পরিচালনা করছেন। তাঁদের কাউকে কাউকে আবার অন্য ব্যাংকগুলো উদারহস্তে ঋণ প্রদান করছে। এতে ঝুঁকিতে চলে যাচ্ছে আমানতকারীদের অর্থ। কমপক্ষে

কেলেঙ্কারির পর কেলেঙ্কারি

বছরজুড়ে সর্বাধিক আলোচনায় ছিল ব্যাংক খাত। শুরুটা হয় ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় বদল দিয়ে। আর বছরের শেষ দিকে এসে ব্যাংক চালাতে ব্যর্থ হয়ে পদত্যাগে বাধ্য হন ফারমার্স ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পর্ষদের একাধিক সদস্য। এ ছাড়া মালিকানা বদলের কারণে আলোচনায় আসে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকও। বছরটিতে সাধারণ মানুষকে ভুগিয়েছে

ওজনে ধরা ধানচাষি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় এবার আমনের ফলন ভালো হয়েছে। ধানের দামও চড়া। কিন্তু কৃষক হাটে বিক্রি করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ওজনে প্রতারিত হচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা প্রতি মণে কৌশলে ২-৩ কেজি করে ধান বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত নভেম্বরে রসুলগঞ্জ হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)

আরসিবিসির বিরুদ্ধে ‘মামলা’র পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ব্যাংক

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক ও আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান-প্রদানকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সুইফটের সঙ্গে আলোচনা করেছে

‘ব্যাংকে ভীতি সৃষ্টি করেছিলেন বাচ্চু’

বহুল আলোচিত বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক শিপার আহমেদ বলেছেন, বেসিক ব্যাংকে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছিলেন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু। ব্যাংকে তাঁর ছিল একচ্ছত্র দাপট ও খামখেয়ালিপনা। শিপার আহমেদ নিজেও বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির একজন অভিযুক্ত। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দুই দফায় ব্যাংকের গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন

আবদুল হাই বাচ্চুসহ পর্ষদ সদস্যদের ডেকেছে দুদক

শেষ পর্যন্ত বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চু ও তাঁর নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান শুরুর প্রায় চার বছর পর দুদক প্রথমবারের মতো তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের কয়েক দফা পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য